পরিমাণের থেকেও বেশী টাকা নেওয়া হচ্ছে হাসপাতালে এ্যাম্বুলেন্স পরিষেবায়। এই নিয়ে রোগীর আত্মীয়র সাথে বচসা বাধে এ্যাম্বুলেন্স কর্তৃপক্ষের।এই ঘটনায় এ্যাম্বুলেন্স কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে হাসপাতালের বিএমওএইচ কে লিখিত অভিযোগ করেন রোগীর আত্মীয়রা।
জানা যায়, হাসপাতালে দুটি বেসরকারি নিশ্চয় যান WB-76A1313 ও WB-653868 রোগী নিয়ে যাওয়া আসা করে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রোগীর আত্মীয়র কাছে তারা যা ভাড়া রয়েছে তা ছাড়াও বক্সিস হিসেবে রোগীর পরিবারের কাছ থেকে টাকা নেয়।হাসপাতালে রয়েছে ৩টি সরকারি এ্যাম্বুলেন্স, কিন্তু রোগীর সংখ্যা বেশী থাকায় বাদ্ধতা মূলক ভাবে রোগীর পরিবারকে বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে হয়। মালদা থেকে গাজোল বা গাজোল থেকে মালদা রোগী নিয়ে যাতায়াত করার সময় তারা ভারা নেয় ৪৫০ টাকা সেখানে ওই বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্স দিনে ভারা নেয় ৭০০ টাকা ও রাতে ভারা নেয় ৮০০ টাকা। অভিযোগ বেশ কিছু এ্যাম্বুলেন্স গাজোল থেকে রেফার করা রোগীদের মালদা মেডিক্যালে না নিয়ে গিয়ে বেসরকারি নার্সিং হোমে নিয়ে যাচ্ছে।এই সমস্ত কারনে সাধারন মানুষদের প্রচণ্ড অসুবিধার মুখে পড়তে হয়।
রোগীর পরিবারের অভিযোগ পেয়ে আজ ব্লক দপ্তরে এই বিষয়ে একটি প্রশাসনিক বৈঠক করা হয়। বৃহস্পতিবার এই প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গাজোল থানার ওসি, বিডিও বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী, গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রভাত পোদ্দার, প্রাক্তন বিধায়ক সুশীল চন্দ্র রায়, বিএমওএইচ সুবোধ অধিকারি, গাজোল হাসপাতাল ইনচার্চ বৃন্দাবন রায়, বিশিষ্ট সমাজ সেবী সহ এ্যাম্বুলেন্স কর্তৃপক্ষরা।
এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, রোগীর পরিবারের সঙ্গে কোন রকম প্রতারনা বা এ্যাম্বুলেন্স পরিষেবায় কোন রকম খামতি, রোগীর পরিবারের কাছ থেকে কোন রকম বক্সিস চাওয়া যাবে না, যদি কোন এ্যাম্বুলেন্সের উপর বেশী ভারা নেওয়ার অভিযোগ আসে তাহলে প্রশাসনের তরফ থেকে তার উপর করা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এমনকি তার লাইসেন্স এবং রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হতে পারে।
অতিরিক্ত ভারা নেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত এ্যাম্বুলেন্সের সাথে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চুক্তি বাতিল করেছে।